
আপনার বাথরুমের হিটারগুলোকে অতিরিক্ত শক্তি দেওয়া বন্ধ করুন।
বাথরুমের জন্য ইনফ্রারেড ল্যাম্প নির্বাচন করার সময় বেশিরভাগ মানুষই “যত বেশি শক্তি হয়, ততই ভালো” ভাবেন। তারা সম্ভব한 সর্বোচ্চ ওয়াটেজের ল্যাম্প বেছে নেন; কারণ তাদের ধারণা এতে ঘরটি আরও উষ্ণ হবে।
কিন্তু এটা আসলে একটি ভুল। যদি ছোট জায়গায় অতিরিক্ত শক্তি ব্যবহার করা হয়, তাহলে শুধুমাত্র বিদ্যুৎ অপচয় হয় না; বরং ল্যাম্পের ফিলামেন্টগুলোও দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়। গুরুত্বপূর্ণ হলো ঘরের আকার ও উষ্ণতার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা।
উপযুক্ত ল্যাম্প নির্বাচন
যদি আপনার বাথরুমের আকার ৪ বর্গমিটারের কম হয়, তাহলে ২৫০ ওয়াট থেকে ৪০০ ওয়াটের ল্যাম্পই যথেষ্ট। এই ধরনের ছোট ঘরগুলোতে উষ্ণতা দ্রুতই অনুভূত হয়; তাই অতিরিক্ত শক্তির দরকার নেই।
যদি বাথরুমের আকার ৪ বর্গমিটার থেকে ৮ বর্গমিটার হয়, তাহলে ৬০০ ওয়াট বা ৮০০ ওয়াটের ল্যাম্প ব্যবহার করা ভালো।
কিন্তু ১০ বর্গমিটারের বড় বাথরুমগুলোর জন্য একটি ল্যাম্পই যথেষ্ট নয়। এক্ষেত্রে ৪০০ ওয়াটের কয়েকটি ল্যাম্প ব্যবহার করা ভালো; এতে ঘরের সর্বত্র সমান উষ্ণতা থাকে এবং সার্কিটে অতিরিক্ত চাপ পড়ে না।
“স্যুয়ানা” সমস্যা
উচ্চ-ওয়াটেজের ল্যাম্পগুলো প্রথমে দারুণ মনে হয়; কিন্তু এর একটি সমস্যা রয়েছে। ছোট জায়গায় বায়ুর তাপমাত্রা দ্রুত বৃদ্ধি পায়। যদি ভেন্টিলেশন সিস্টেমটি এই উষ্ণতা সামলাতে না পারে, তাহলে ঘরটি অসহনীয়ভাবে গরম হয়ে যায়। আপনাকে নিশ্চিত করতে হবে যে আপনার ভেন্টিলেশন সিস্টেমটি আপনার দ্বারা সরবরাহিত উষ্ণতা সামলাতে সক্ষম।
বুদ্ধিমানের মতো কাজ করুন
যদি আপনি আপনার বিদ্যুৎ বিল কমাতে চান, তাহলে ল্যাম্পের আলোর কোণ বিবেচনা করুন। যদি ল্যাম্পটি সঠিক কোণে আলো ছড়ায়, তাহলে উষ্ণতা ঠিক সেখানেই পৌঁছাবে—আপনার শরীরে। সঠিক ওয়াটেজ ও ভালো রিফ্লেক্টর ব্যবহার করলে আপনি অপচয় ছাড়াই আদর্শ তাপমাত্রা পাবেন।
সত্যিই, আপনার হিটারগুলোকে অতিরিক্ত শক্তি দেওয়া বন্ধ করুন। যদি ওয়াটেজটি ঘরের আকারের সাথে মেলে না, তাহলে আপনি আসলে শুধুমাত্র ছাদটিকে উষ্ণ রাখার জন্যই অর্থ খরচ করছেন।